আপনার মাস্কটি কখন বদলে ফেলবেন?

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, করোনার নতুন স্ট্রেনের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় সঠিক পদ্ধতিতে মাস্ক পরা, ভিড় এড়িয়ে চলা এবং পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা। ফলে প্রাণঘাতী করোনাকালে নিজেকে সকল প্রকার ভাইরাস থেকে বাঁচাতে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে মাস্কের ব্যবহার। ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক পরা জরুরি মনে করছেন বিশ্ববাসী। কিন্তু একটি মাস্ক কতদিন ব্যবহার করা যায়? সেই বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা দরকার। আসুন জেনে নেই মাস্ক ব্যবহারের সময়সীমা সম্পর্কে-

১. মাস্ক এমনভাবে পরতে হবে যাতে আপনার মুখ ও নাক সম্পূর্ণভাবে ঢাকা থাকে। মাস্ক পরার পর যদি শুধু নাক বা মুখের কোনো একটা খোলা থাকে, তাহলে মাস্ক পরার কোনো উপযোগিতা থাকে না। খেয়াল রাখবেন আপনার মাস্ক যেন নাকের ওপর থেকে শুরু করে গোটা মুখ ভালোভাবে ঢাকতে পারে। তাই মাস্ক কেনার সময় সেটি কতটা চওড়া তা ভালো করে দেখে তবেই কিনবেন।

২. মুখের থেকে ঢিলা মাস্ক ব্যবহার করবেন না। মাস্ক ঢিলা হলে তা বারবার সরে যাবে এবং আপনাকে বারবার মুখে হাত দিতে হবে। এর ফলে আপনার হাতের ধুলো ময়লা মাস্কে লেগে যাবে।

৩. সুতির কাপড়ের তৈরি মাস্ক তাড়াতাড়ি ছিড়ে যায়। রঙ হালকা হয়ে গেলে ও মাস্কে ছোট থেকে বড় ফুটো দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে সেই মাস্ক বদলে ফেলুন। মাস্কের মধ্যে ফুটো দেখা দিলে সেই মাস্ক না পরাই ভালো। কারণ করোনার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে থাকা অন্যান্য ভাইরাসও আক্রমণ করতে পারে।

৪. মাস্ক এখন বাধ্যতামূলক। মাস্ক পরে যদি দেখেন আপনার ত্বকে নানান সমস্যা তৈরি হচ্ছে, যেমন- ব্রণ, র‍্যাস, চুলকানি, ফুলে ওঠা। তাহলে দ্রুত মাস্ক পরিবর্তন করুন।

৫. ওয়াশেবল মাস্ক হলে অবশ্যই ধুয়ে, শুকিয়ে তারপর পরুন। সমীক্ষা বলছে, করোনা পরিস্থিতিতে সঠিক মাস্ক পরলে প্রায় ৭০ শতাংশ করোনা হওয়ার ঝুঁকি কমায়। শুধু পরলেই হবে না, সেটি ঠিকসময়ে বদলও করতে হবে।

৬. মাস্ক পরে অস্বস্তি হলে অবশ্যই সেই মাস্ক এড়িয়ে চলুন। আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই মাস্ক পরে থাকলে অস্বস্তি তৈরি হয়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটে। তাই মাস্ক বদলানো দরকার।

৭. মাস্কের নোজ ক্লিপ আলগা হয়ে গেলে সেই মাস্ক দ্রুত পাল্টে ফেলুন। এছাড়া কানে লাগানোর ইলাস্টিক বা কাপড় যদি আলগা হয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন আপনার মাস্ক পরিবর্তন করার সময় এসে গিয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*