আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন

রমজান মাসের রোজা রাখা মুসলমানদের অবশ্যপালনীয় বিধান। ইসলাম অনুমোদিত অপারগতা ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক কোনো মুসলমানের এই বিধান পরিত্যাগ করার অনুমতি নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ রোজা ভঙ্গ করলে ইসলামের দৃষ্টিতে সে বড় পাপী এবং পরকালে তার জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি। যারা যথাযথভাবে রোজা পালন করে, তাদের জন্য রয়েছে অসংখ্য পুরস্কারের ঘোষণা।

জান্নাতে বিশেষ দরজায় প্রবেশ : আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, “জান্নাতে একটি দরজা আছে, যার নাম ‘রাইয়ান’। কিয়ামতের দিন এই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদার ব্যক্তিরাই প্রবেশ করবে। অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে, কোথায় সেই সৌভাগ্যবান রোজাদাররা? তখন তারা উঠে দাঁড়াবে। তারা ছাড়া কেউ এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর রোজাদাররা যখন প্রবেশ করবে, তখন তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ১৮৯৬)

গুনাহ মাফ : শীত-গ্রীস্ম, গরম-ঠাণ্ডাসহ সব ধরনের কষ্ট সহ্য করে যারা রমজানের রোজা পালন করবে, পুরস্কার হিসেবে আল্লাহ তাদের পূর্ববর্তী সগিরা গুনাহ মাফ করে দেবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজান মাসের রোজা রাখবে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৩৮)

জাহান্নাম থেকে মুক্তি : যথাযথ রোজা পালন করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমাদের মহান রব ইরশাদ করেছেন, রোজা ঢালস্বরূপ। বান্দা এর দ্বারা নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবে। রোজা আমার জন্য, আর আমিই এর পুরস্কার দেব।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৪৬৬৯)

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*