৫টি খাবারে পুরুষের যৌ’বন ধরে রাখে আজীবন

সুস্থ থাকতে কে না চায়। আজীবন যৌবন ধরে রাখার জন্য পুরুষরা নানা পথ্য খান। তবে সুস্থ থাকার জন্য রয়েছে প্রচুর শাক-সবজি। শাক-সবজিতে রয়েছে পুষ্টিকর খাবার। সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেয়া দরকার। তবে তা হতে হবে ফরমালিন মুক্ত।পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশেষ কিছু খাবার রয়েছে যা পুরুষদের সবদিক থেকে শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। যৌবন ধরে রাখে আজীবন। নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জোর দেয়া দরকার।

এমন ৫টি খাবারের কথা বলা হলো যা আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন।জেনে নিন, কি সেই সব খাবার-১. মিষ্টিকুমড়ার বিচি : এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।২. আমলা : আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় একে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক।

৩.বাদাম : চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে বাদামের জুড়ি নেই। বাদাম বা বিশেষ করে আখরোটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে যা ত্বককে মসৃণ করে ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে। আখরোটে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব কম থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আপনি রাখতে পারেন যে কোনও বাদাম।৪. রসুন : অনেকেই বলে থাকেন রসুন কেবলমাত্র ঠাণ্ডা-সর্দির জন্য ভালো। ধারণাটা ভুল। এতে আছে অ্যালিসিন, যা রক্তপ্রবাহ সৃষ্টি করে সুস্থতা রাখে।

৫. কলা : ফলটি শারীরিক সক্ষমতাকে হ্রাস করে। এটি এমন এক ফল যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকলে স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে খাবার যা-ই খান কেন নিজেকে উৎফুল্ল না রাখলে কোনোভাবেই জীবন-যৌবন ধরে রাখতে পারবেন না।সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখুন, বিষন্নতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না। পরিবার-পরিজনকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরে আসুন, দেখবেন এমনিতেই আপনার মনটা ভরে গেছে। ঘুমের ক্ষেত্রে কিন্তু কার্পণ্য করবেন।

নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার বাজারে আসছে পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রক জেল! নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার জন্ম নিয়ন্ত্রক জেল আসছে পুরুষদের জন্যেও। অর্থাৎ এই ওষুধ বাজারে আসলেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনও গবেষণা চলছে। উত্তর ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাইকেল ও’রান্ড জানাচ্ছেন,

এই জেল পুরুষদের বীর্যে থাকা প্রোটিনকে বেঁধে রেখে তার চলাচলের গতিকে স্লথ করে দেবে। কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই জন্ম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে এই জেলটি।পুরুষদের জন্যে জন্মনিয়ন্ত্রক জেলটি কিছুদিনের মধ্যেই এটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মার্কিন গবেষকরা জানাচ্ছেন, মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল ব্যবহার করে দেখা হবে তা গর্ভধারণ রোধ করতে ঠিক কতটা কার্যকরী

এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, ড. ডায়ানা ব্লাইদি জানান, অনেক নারীরাই হরমোনভিত্তিক গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেল ব্যবহার করতে পারেন না। আর বর্তমানে পুরুষের জন্মনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে শুধু ভ্যাসেকটমি (স্থায়ী) আর কনডমের ব্যবহার (অস্থায়ী) প্রচলিত রয়েছে। তার বিশ্বাস, এই গবেষণায় সাফল্য মিললে আরও একটি নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি হিসেবে এই জেল জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষদের সহায়ক হয়ে উঠতে পারে।

ড. ডায়ানা আরও জানান, এই জেল মাখতে হবে পুরুষের পিঠে ও কাঁধে। এই জেলে মূলত দুইটি উপাদান রয়েছে। এক, টেস্টোস্টেরন ও দুই, সেজেস্টেরন অ্যাসিটেট নামের একটি প্রজেস্টিন। এই প্রজেস্টিন পুরুষের শুক্রাশয়ে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন বন্ধ করে দিতে সক্ষম। প্রজেস্টিনের প্রভাবে শুক্রাণুর উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এই জেলে থাকা টেস্টোস্টেরন পুরুষের রক্তে হরমোনটির মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। ফলে শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে চলতে থাকবে। এই জেলটির নাম এনইএস/টি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ মাস ধরে মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে দেখা হবে। পুরুষদের এই জেল প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে। ৪ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এই জেল পুরুষদের উপর প্রয়োগ করা হবে। এই জেল ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার পর শুক্রাণুর সংখ্যা কোনো পার্থক্য হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য পরবর্তী ২৪ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হবে।জেলটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। বর্তমানে বাজারের সব গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেলেই কম-বেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। মার্কিন গবেষণায় এই এনইএস/টি পাশ করলে জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*