শারী’রিক মিল’নে কি পরিমান ক্যালরি নষ্ট হয়?

সঙ্গীর সাথে যৌ’নতায় ক্যালরি নস্ট হয় এটা সবাই জানে। কিন্তু ঠিক কি পরিমান ক্যালরি নষ্ট হয় এবার সেটাই জানা গেল এক কানাডার মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গভেষনায়।গভেষনায় দেখা গেছে, প্রতি ২৫ মিনিটের যৌ’নতায় পুরুষের ১০১ ক্যালরি নষ্ট হয়ে থাকে যা, ১ মাইল দৌড়ালে যে পরিমান ক্যালরি নষ্ট হয় তার অর্ধেক। নারীদের নষ্ট হওয়া ক্যালরির পরিমান ৬৯ ক্যালরি।

গভেষনায় বলা হয়েছে, নারীদের তুলনায় পুরুষের বেশি ক্যালরি নষ্ট হয়। কারন যৌ’নতার সময় নারীদের তুলনায় পুরুষকেই বেশি শারীরিক কসরত করতে হয়। অন্যদিকে যৌনতাকে ব্যায়াম হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে গভেষনায়।তবে আরেক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছ প্রতি ৬ মিনিটের যৌ’নকর্মে পুরুষের ২১ ক্যালরি নষ্ট হয়। এই গবেষণাটি ১৯৮৪ সালে করা হয়েছিল। সেসময় পুরুষরাই শুধু এই গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন।

সমাজে যৌ’নতা এবং তার সূত্র ধরে ভায়াগ্রা নিয়ে বহু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই সংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাসের গেরো টপকে এ সম্পর্কে খোলাখুলি আলোচনা করতে দ্বিধা বোধ করেন। ধোঁয়াশা কাটাতে ভায়াগ্রা সংক্রান্ত কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করা হল।থমেই জানিয়ে রাখা ভাল, ভায়াগ্রা একটি ট্রেড নেম বা নির্দিষ্ট একটি ওষুধের রাসায়নিক নামকরণ।

এর মূল উপাদান সিলডেনাফিল সাইট্রেট। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহার করা হলেও তাতে আশাপ্রদ ফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু গবেষণা চলাকালীন দেখা যায়, পুরুষ রোগীদের লি’ঙ্গ উত্থানের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হচ্ছে। বিষয়টি লক্ষ্য করে ভায়াগ্রা নিয়ে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করেন গবেষকরা।

মূলত অনিচ্ছুক মসৃণ কোষের শিথিলতার সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং পুরুষাঙ্গে রক্ত চলাচলের হার বাড়ানোই ভায়াগ্রার কাজ। তবে শুধুমাত্র পুরুষা’ঙ্গই নয়, গোটা শ্রোণী এলাকাতেই রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ভায়াগ্রা। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, শতকরা ৮৮ ভাগ ক্ষেত্রে যৌনতায় অ’ক্ষম পুরুষ ভায়াগ্রা ব্যবহার করে সুফল পেয়েছেন। শুধু লি’ঙ্গ উত্থানের সমস্যাই নয়, এই অবস্থা ধরে রাখতেও ভায়াগ্রার ভূমিকা প্রশ্নাতীত। এর প্রয়োগে যৌ’ন সুখের সময়সীমা বৃদ্ধি হয় বলেও প্রমাণিত।

নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার বাজারে আসছে পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রক জেল! নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার জন্ম নিয়ন্ত্রক জেল আসছে পুরুষদের জন্যেও। অর্থাৎ এই ওষুধ বাজারে আসলেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনও গবেষণা চলছে। উত্তর ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাইকেল ও’রান্ড জানাচ্ছেন,

এই জেল পুরুষদের বীর্যে থাকা প্রোটিনকে বেঁধে রেখে তার চলাচলের গতিকে স্লথ করে দেবে। কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই জন্ম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে এই জেলটি।পুরুষদের জন্যে জন্মনিয়ন্ত্রক জেলটি কিছুদিনের মধ্যেই এটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মার্কিন গবেষকরা জানাচ্ছেন, মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল ব্যবহার করে দেখা হবে তা গর্ভধারণ রোধ করতে ঠিক কতটা কার্যকরী

এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, ড. ডায়ানা ব্লাইদি জানান, অনেক নারীরাই হরমোনভিত্তিক গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেল ব্যবহার করতে পারেন না। আর বর্তমানে পুরুষের জন্মনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে শুধু ভ্যাসেকটমি (স্থায়ী) আর কনডমের ব্যবহার (অস্থায়ী) প্রচলিত রয়েছে। তার বিশ্বাস, এই গবেষণায় সাফল্য মিললে আরও একটি নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি হিসেবে এই জেল জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষদের সহায়ক হয়ে উঠতে পারে।

ড. ডায়ানা আরও জানান, এই জেল মাখতে হবে পুরুষের পিঠে ও কাঁধে। এই জেলে মূলত দুইটি উপাদান রয়েছে। এক, টেস্টোস্টেরন ও দুই, সেজেস্টেরন অ্যাসিটেট নামের একটি প্রজেস্টিন। এই প্রজেস্টিন পুরুষের শুক্রাশয়ে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন বন্ধ করে দিতে সক্ষম। প্রজেস্টিনের প্রভাবে শুক্রাণুর উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এই জেলে থাকা টেস্টোস্টেরন পুরুষের রক্তে হরমোনটির মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। ফলে শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে চলতে থাকবে। এই জেলটির নাম এনইএস/টি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ মাস ধরে মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে দেখা হবে। পুরুষদের এই জেল প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে। ৪ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এই জেল পুরুষদের উপর প্রয়োগ করা হবে। এই জেল ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার পর শুক্রাণুর সংখ্যা কোনো পার্থক্য হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য পরবর্তী ২৪ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হবে।জেলটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। বর্তমানে বাজারের সব গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেলেই কম-বেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। মার্কিন গবেষণায় এই এনইএস/টি পাশ করলে জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*