নারীকে দ্রুত উত্তে’জিত করার কিছু সহজ কৌশল!

মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেগুলো স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি টার্ন অন হয়ে পরে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছেলেরা সেসব জায়গার প্রতি খেয়াল দেয় না।কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় নারীদেরকে…..চঘাড়ের পিছন দিকঃ মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন জায়গা।

ছেলেরা এজায়গার উপর খুব অল্পই সময় দেয়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন নারীকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পেছন দিকে চুল সরিয়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন সে পাগল হয়ে যাবে। সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। এরপর তার ব্রেস্টের দিকে যান। দেখবেন সে কতটা হর্নি হয়ে যায়।

কানঃ কানে হালকা স্পর্শ, চুমু অনেক বেশি সেক্সুয়ালি এরোসড করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে যায় সে। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের যে কোন জায়গায়। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।থাইঃ নারীকে দ্রুত উত্তেজিত করেত আসল জায়গা স্পর্শ না করেও তার আশে পাশের থাই এর নরম জায়গাগুলো স্পর্শ করেই তাকে হর্নি করে দিতে পারেন।

হাত এবং মুখ কাজে লাগান, কিস করুন। কিন্তু আসল জায়গায় যাওয়ার আগে সরে আসুন, দেখবেন সে কি করে।হাতের তালু ও পায়ের পাতাঃ হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। হাতের উপর আংগুল চালান, সুড়সুড়ি দিন। এটি যেন তাকে পরবর্তী সেক্সুয়াল এক্টিভিটিরই মেসেজ দেওয়া। দেখবেন সেও সাড়া দেবে। হাতের আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষতে পারেন। এটিও টার্ন অন করে তাকে।

পাঃ নারীকে দ্রুত উত্তেজিত করতে পায়ে হাত বুলিয়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেকেই বেশ মজা পায়। পায়ের আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষলেও টার্ন অন হয় অনেকেই। তবে কিছু মেয়ের এটি পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করে নিন আপনার সঙ্গিনীকেই।পিঠঃ পিঠ, বিশেষ করে পিঠের নিচে, কোমড়ের দিকের অংশটাতে স্পর্শ ও আদর চায় মেয়েরা।

মেরুদন্ড বরাবর চুমু দিতে দিতে নিচে নেমে যান, কিস করুন সে বিশেষ জায়গাটিতে। তার সেক্স করার মুড আরো বাড়বেই।কলার বোনঃ নারীকে দ্রুত উত্তেজিত করতে ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে, তার গলার নিচে, কলার বোনের দিকে নজর দিন একটু। জিহবা দিয়ে সার্কেল করে লিক করুন। হালকা কামড় দিন। এতে সে বুঝবে আপনি কতটা চান আপনার সঙ্গিনীকে।

নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার বাজারে আসছে পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রক জেল! নারীদের জন্য গর্ভনিরোধক ওষুধের পর এবার জন্ম নিয়ন্ত্রক জেল আসছে পুরুষদের জন্যেও। অর্থাৎ এই ওষুধ বাজারে আসলেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনও গবেষণা চলছে। উত্তর ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাইকেল ও’রান্ড জানাচ্ছেন,

এই জেল পুরুষদের বীর্যে থাকা প্রোটিনকে বেঁধে রেখে তার চলাচলের গতিকে স্লথ করে দেবে। কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই জন্ম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে এই জেলটি।পুরুষদের জন্যে জন্মনিয়ন্ত্রক জেলটি কিছুদিনের মধ্যেই এটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মার্কিন গবেষকরা জানাচ্ছেন, মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল ব্যবহার করে দেখা হবে তা গর্ভধারণ রোধ করতে ঠিক কতটা কার্যকরী

এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, ড. ডায়ানা ব্লাইদি জানান, অনেক নারীরাই হরমোনভিত্তিক গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেল ব্যবহার করতে পারেন না। আর বর্তমানে পুরুষের জন্মনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে শুধু ভ্যাসেকটমি (স্থায়ী) আর কনডমের ব্যবহার (অস্থায়ী) প্রচলিত রয়েছে। তার বিশ্বাস, এই গবেষণায় সাফল্য মিললে আরও একটি নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি হিসেবে এই জেল জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষদের সহায়ক হয়ে উঠতে পারে।

ড. ডায়ানা আরও জানান, এই জেল মাখতে হবে পুরুষের পিঠে ও কাঁধে। এই জেলে মূলত দুইটি উপাদান রয়েছে। এক, টেস্টোস্টেরন ও দুই, সেজেস্টেরন অ্যাসিটেট নামের একটি প্রজেস্টিন। এই প্রজেস্টিন পুরুষের শুক্রাশয়ে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন বন্ধ করে দিতে সক্ষম। প্রজেস্টিনের প্রভাবে শুক্রাণুর উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এই জেলে থাকা টেস্টোস্টেরন পুরুষের রক্তে হরমোনটির মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। ফলে শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে চলতে থাকবে। এই জেলটির নাম এনইএস/টি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৩ মাস ধরে মোট ৪২০ দম্পতির ওপর এই জেল পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে দেখা হবে। পুরুষদের এই জেল প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে। ৪ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এই জেল পুরুষদের উপর প্রয়োগ করা হবে। এই জেল ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার পর শুক্রাণুর সংখ্যা কোনো পার্থক্য হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য পরবর্তী ২৪ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হবে।জেলটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। বর্তমানে বাজারের সব গর্ভনিরোধক ওষুধ বা জেলেই কম-বেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। মার্কিন গবেষণায় এই এনইএস/টি পাশ করলে জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষরাও দায়িত্ব নিতে পারবেন সহজেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*